ঢাকারবিবার , ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  1. #টপ৯
  2. #লিড
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. ইচ্ছেডানা
  8. উদ্যোক্তা
  9. ক‌রোনা মহামা‌রি
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. চাকুরীর খবর
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এশিয়া কাপে সবার আগে সুপার ফোরে পাকিস্তান।

স্পোর্টস ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৩ ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামের ওয়ানডে রেকর্ড কথা বলছিল ভারতীয়দের পক্ষে, এ মাঠে এই সংস্করণে এখনও পর্যন্ত অপরাজিত এশিয়ার পরাশক্তিরা।
তবে এদিন প্রতিপক্ষের জন্য লক্ষ্য খুব একটা বড় দিতে পারেননি রোহিত-কোহলিরা।
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৫০ ওভারে করতে হতো মোটে ২৬৭।
দুর্দান্ত ফর্মে থাকা বাবর, রিজওয়ান, শাদাব, হারিসদের সামনে সেটি হয়ে উঠেছিল আরো কম।
তবে পাকিস্তানকে জিততে দিল না বেরসিক বৃষ্টি।
শ্রীলঙ্কার ভারী বর্ষনে বাতিলই হয়ে গেল পাক-ভারত রোমাঞ্চ।
ভারতের ব্যাটিং শেষ হওয়ার পর বিরতিতে গেল দুই দল।
এরপর শুরু হলো বৃষ্টির ভেলকি।
এর আগে আরও দুবার একই কারণে খেলা বন্ধ হলেও চালু হতে বেশি সময় লাগেনি।
কিন্তু এই দফা আর ২২ গজে ফেরা হলো না খেলোয়াড় আম্পায়ারদের।
পাক-ভারত মহারণ সম্পন্ন করতে চলেছে বিস্তর হিসেব-নিকেষ।
চেষ্টা ছিল ৪০ ওভারে শেষ করার, তাতে জিততে হলে পাকিস্তানকে জয়ের জন্য করতে হতো ২৩৯।
সেটি সম্ভব না হলে ৩০ ওভারে করতে হতো ২০৩,
সর্বশেষ ম্যাচটি পূর্ণতা দিতে ২০ ওভারেও শেষ করার চেষ্টা হয়েছে যাতে জিততে হলে বাবরদের করতে হতো ১৫৫ রান।
কোনো কিছুতেই কিছু হয়নি, অনেক অপেক্ষার পর বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২২ মিনিটে ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।
জয় না পেলেও পাকিস্তানের অবশ্য অর্জন আছে।
আগের ম্যাচে নেপালকে হারানো দুই আর এদিনের ১ মিলিয়ে তিন পয়েন্ট নিয়ে সুপার ফোরে উঠে গেছে বাবরের দল।

এর আগে শুরুটা হয়েছিল পাকিস্তানের পেস দাপটেই।
রোহিত শর্মা ফাঁদেই পড়লেন!
টানা দুই বলে আউট সুইং, শাহিন শাহ আফ্রিদির বল দুটো ব্যাটে খেলার চেষ্টাই করলেন না রোহিত।
ভারতীয় অধিনায়ক পরের বলটাও হয়তো আউট সুইংয়ের জন্যই অপেক্ষা করছিলেন।
তবে আফ্রিদির ভাবনা ছিল ভিন্ন।
তার ‘ডেডলি’ ইন-সুইংয়ে বল ব্যাট ও প্যাডের ফাঁকা জায়গা দিয়ে আঘাত হানে স্টাম্পে, বোল্ড রোহিত।
ভারত অধিনায়কের পর বিরাট কোহলিকেও ফিরিয়েছেন আফ্রিদি।
কোহলিকে ফেরাতে অবশ্য উইকেটের কিছুটা সাহায্য পেয়েছেন।
উইকেটে পেসের তারতম্য থাকায় কোহলি শট খেলেছেন আগে।
আফ্রিদির স্টাম্পের বাইরের শর্ট ডেলিভারিতে হয়েছেন কোহলি ইনসাইড এজড হয়ে বোল্ড।
এই প্রথম এক ইনিংসে রোহিত, কোহলি দুজনকেই বোল্ড করলেন কেউ।
বাঁহাতি পেসারদের সামনে রোহিত-কোহলির দুর্বলতা নতুন কিছু নয়।
ওয়ানডেতে ২০২১ সালের পর থেকে বাঁহাতি পেসারদের বিপক্ষে রোহিতের গড় মাত্র ২৩, আউট হয়েছেন ছয়বার।
একই সময়ে কোহলির গড় আরও কম- ২১.৭৫।
এই সময়ে কোহলি আউট হয়েছেন চারবার। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের আগে থেকেই রোহিতকে আফ্রিদির
বল বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে খেলতে বলেছিলেন অনেক ক্রিকেট-বিশ্লেষক।
২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই শাহিনের ইয়র্কারে তিনি এলবিডব্লু হয়েছিলেন।
তারও আগে ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ফাইনালে একইভাবে আউট হয়েছিলেন মোহাম্মদ আমিরের বলে।
এবার অবশ্য রোহিত এলবিডব্লু হননি।
আফ্রিদি কয়েকবারই ইয়র্কার দিয়ে রোহিতের ডিফেন্স ভাঙার চেষ্টা করলেও পারেননি।

আফ্রিদির করা প্রথম দুই ওভার বেশ ভালোভাবেই সামলেছেন ভারতীয় অধিনায়ক।
এরপর বৃষ্টিতে কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকাতেই হয়তো মনোযোগ কিছুটা সরে যায় রোহিতের।
ওয়ানডেতে এবারই প্রথমবার রোহিতকে আউট করেছেন আফ্রিদি।
এর আগে ২০১৮ সালে এশিয়া কাপের ম্যাচে আফ্রিদির বিপক্ষে ১৯ বলে ১৮ রান করেছিলেন রোহিত।
ওয়ানডে ক্রিকেটে কোহলির বিপক্ষে এবারই প্রথম বল করেছেন আফ্রিদি।
২ বল করেই ফিরিয়েছেন ৪৬টি ওয়ানডে সেঞ্চুরির মালিককে।
তবে সবচাইতে চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে, ওয়ানডেতে একই
ম্যাচে রোহিত ও কোহলিকে এই প্রথম আউট করলেন কোনো একজন বোলারা!

গতকাল পাল্লেকেলেতে এশিয়া কাপের বহুল প্রতীক্ষিত
দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মহারণে ইশান কিশান ও হার্দিক পান্ডিয়ার বড় এক জুটির পরে আবারও পাকিস্তানের গতি দ্যুতি।
আফ্রিদির সঙ্গে যোগ্য সঙ্গ দিলেন দুই ডানহাতি পেসার হারিস রউফ ও নাসিম শাহ।
তাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ভারত অলআউট হয়ে যায় ২৬৬ রানে।
বৃষ্টির কারণে দুবার বন্ধ হওয়া ভারতের ইনিংসে পাঁচে নেমে ইশান খেলেন ৮২ রানের ইনিংস।
৮১ বল মোকাবিলায় তিনি মারেন ৯ চার ও ২ ছক্কা।
হার্দিক ছয়ে নেমে করেন ৯০ বলে ৮৭ রান।
তার ব্যাট থেকে আসে ৭ চার ও ১ ছক্কা।
এই দুজন ছাড়া ভারতের আর কোনো ব্যাটার ২০ রান পর্যন্তও যেতে পারেননি।
প্রথম ৪ উইকেট তারা হারায় ৬৬ রানে। আর বাকি ৬ উইকেট খোয়ায় শেষ ৬২ রানে।
ফলে এক পর্যায়ে তিনশ রানের সম্ভাবনা জাগালেও তা দূরের পথই থেকে যায় ভারতের।
অসমান বাউন্স ও গতির উইকেটকে ভালোমতো কাজে লাগান পাকিস্তানের পেসাররা।
শাহিন ১০ ওভারে ২ মেডেনসহ ৪ উইকেট নেন ৩৫ রানে।
৮.৫ ওভারে ৩ উইকেট পেতে নাসিমের খরচা ৩৬ রান। রউফও শিকার করেন ৩ উইকেট।
তবে কিছুটা খরুচে ছিলেন তিনি।
৯ ওভারে দেন ৫৮ রান। তিন স্পিনারও ব্যবহার করেন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম।
তবে শাদাব খান, মোহাম্মদ নওয়াজ ও আগা সালমানের কেউই উইকেট পাননি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।