ঢাকাবুধবার , ২৪ আগস্ট ২০২২
  1. #টপ৯
  2. #লিড
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আন্দোলন
  7. ইচ্ছেডানা
  8. উদ্যোক্তা
  9. ক‌রোনা মহামা‌রি
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. খেলাধুলা
  13. গণমাধ্যম
  14. চাকুরীর খবর
  15. জাতীয়

চট্রগ্রামে রান্নাঘরের গ্যাসের আগুনে মূখসহ শরীরের কিছু অংশ পুড়ে গেছে রেনুর।

কামাল,মহিম রুবেল,লতিফ,চট্টগ্রাম থেকে
আগস্ট ২৪, ২০২২ ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নগর আ’লীগ নেতার বাসায় রান্নাঘরে গ্যাসের আগুনে ঝলসে গেছে রেনুর দেহ।
কাউন্সিলরের কাজের মেয়ে রেনুর দেহে গ্যাসের আগুন,রাতভর চুলা থেকে নির্গত হচ্ছিল গ্যাস

কামাল,মহিম রুবেল,লতিফ,চট্টগ্রাম থেকে

ফেইজ বুক ও বিভিন্ন সংবাদ পোষ্টালে এধরনের ভিন্ন, ভিন্ন শিরোনাম দেখে আমরা “চট্টগ্রাম সংবাদকর্মী সংস্থার ” চারজন সদস্য খবর নিয়ে সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এ,কে এম বেলায়েত হোসেনের বাসায় যাই। এবং ঘটনাস্থল রান্না ঘর পরিদর্শন করি। পরিদর্শন আমরা দেখতে পাই ওনার বিশাল বড় বাড়ি, বড় রান্না ঘর, এবং রান্না ঘরের সাথে ড্রইং রুম, ডাইনিং রুম। এসব রুম গুলির মাঝে বাতাস রুদি কোন দেয়াল বা পার্টিশন নেই। এতে বুঝা যাচ্ছে যদি পূর্বথেকে গ্যাস নির্গত হতো তাহলে উনার পুরো বাড়ি গ্যাসে পূর্ণ থাকত এবং একসঙ্গে পুরো বাড়িতে আগুন লাগতো। কিন্তু অসম্পাদিত কিছু নিউজ পোর্টালে প্রচার করা হচ্ছে পূর্ব থেকে গ্যাস নির্গত হচ্ছিল আর এতেই আগুন লেগেছে। যাহা একেবারেই বিভ্রান্তিমূলক। এবং আরও বলা হচ্ছে রেনু কাজের মেয়ে ম্যাচ মারতে গিয়ে আগুন লেগেছে। আমরা দেখতে পেলাম সেটি একটি অটো চুলা আর অটো চুলাতে কখনো ম্যাচ মারতে হয় না।
এ বিষয়ে আমরাএ,কে, এম বেলায়েত হোসেনের সাথে আলাপ করে জানতে পারি। কাজের মেয়ে রেনু বেশ কিছুদিন ধরে তাদের বাসায় কাজ করছেন। প্রতিদিনকার মত ঘটনার দিন সে ভোর বেলায় যখন চুলাতে আগুন জ্বালাতে যায় গ্যাসের অতিরিক্ত প্রেসারে তার গায়ে থাকা সিনথেটিক (সালোয়ার কামিজ) কাপড়ে আগুন লেগে যায়।এতে করে তার মুখ, হাত, পা সহ শরীরের চামড়া আগুনের তেজস্ক্রিয়তাই ঝলসে যায়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেনুকে দেখতে গেলেন মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা একেএম বেলায়েত হোসেন ও কাউন্সিলর হুরে আরা বেগম বিউটি

এই বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল যায়।এবং রেনুর সাথে,তার মায়ের সাথে কথা বলি তারাও অনুরূপ কথা আমাদেরকে জানান।
পরক্ষণে আমরা কর্তব্যরত ডাক্তারের সাথে কথা বলি ডাক্তার জানান তার শরীরের মোট চামড়ার ২৮.৭৮% ঝলসে গেছে। অল্প কয়েক দিনের মধ্যে সেরে উঠবে।
আমরা আবার পুনরায় গেলাম রেনুর সাথে এবং রেনুর মায়ের সাথে কথা বলার জন্য, তার চিকিৎসার খরচ ব্যয় ভার কে বহন করছে, তা জানার জন্য। তারা জানান চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় ভার কাউন্সিলর হুরে আরা বেগম বিউটি ও তার বাবা চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা একেএম বেলায়েত হোসেন বহন করছেন।
বিভ্রান্তিমূলক নিউজ পোর্টালের সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমরা আবার পুনরায় যাত্রাকরলাম এলাকাবাসীর ধারে। মহিলা কাউন্সিলর হুরে আরা বেগম বিউটি’র বেশকিছু এলাকাবাসী আমাদের জানান তারা শুনেছে কাউন্সিলরের বাবার বাসায় কাজের মেয়ের গায়ে গ্যাসের আগুন লেগেছে, তারা কোনো চিকিৎসা করছেন না। এই কথাটি একেবারেই ভিত্তিহীন এবং অমূলক। সত্য হলো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কিছু প্রতিপক্ষ এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করছেন। তারা আরো বলেন কাউন্সিলর হুরে আরা বেগম কতটুকু মানবিক তা আমরা এলাকাবাসী জানি। অল্প কিছুদিন আগে অতিবৃষ্টিতে প্লাবিত হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বেশ কয়েকটি নির্মাঞ্চল, তার মধ্যে ২৬ নং ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা ছিল চোখে পড়ার মতো। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক শত বস্তিবাসী। মানুষের চলাচলের বেশ বিঘ্ন ঘটেছে। রিক্সা চালক, দিনমজুর মানুষ গুলোর উপার্জন ছিল শূন্যের কোঠায়। পানিবন্দি অনেক বস্তিবাসীর খোঁজ নিয়ে সেইসব বস্তিবাসীদের জন্য নিজ হাতে রান্না করে,খাবার নিয়ে ছুটে গেলেন মহিল কাউন্সিলর “হুরে আরা বেগম বিউটি “কখনো ছাতা নিয়ে ,কখনো বৃষ্টিতে ভিজে একবস্তি থেকে অন্য বস্তুিতে।
এলাকাবাসী আরও বলেন অনুরূপভাবে আমরা দেখেছিলাম করোনাকালীন সময়ে তিনি ও তার পিতা এ,কে এম বেলায়েত হোসেন মানুষের মাঝে সাহায্য সহযোগিতায় হাত কিভাবে বাড়িয়ে ছিলেন। বর্তমানেও আমরা দেখছি কোন দুর্যোগে সময়ে তারা মানুষের পাশে সাহায্য হাত নিয়ে কিভাবে দাঁড়ায়। অতএব তারা রেনুর চিকিৎসা করাচ্ছেন না, বা করছেন না, এই কথাটি একেবারেই হাস্যকর।
আমরা আবার ছুটে গেলাম হুরে আরা বিউটি কাউন্সিলরের অফিসে। আমরা হলাম তার মুখোমুখি তিনি এক প্রশ্নের জবাবে আমাদের বলেন রেনুর প্রথম থেকে চিকিৎসা আমরা করে যাচ্ছি এবং শেষপর্যন্ত আমরা তার চিকিৎসা করে যাব। তবে দুঃখ লাগে কিছু অপ সংবাদ প্রচারে। অনেকে লিখছেন আমার বাবার সাথে কথা বলে তাদের সংবাদের সত্যতা মিলেছে । অনেকে বলছেন তাঁর মুঠোফোনে ফোন করে তাকে পাওয়া যায়নি। আমাদের মুঠোফোন বন্ধ। সত্যি বলতে কি কেউ আমাদের সাথে যোগাযোগ করে নাই। কেউ আমাদের মুঠোফোনে ফোন দেয় নাই। একটি সংবাদ পোস্টালে লিখলো আমরা কাউকে না জানিয়ে গোপনে তাকে মেডিকেলে ভর্তি করিয়েছি। এটা কি কোন নেতার জনসভা, এলাকা বাসিকে জানাতে হবে, এটা কি কারো দিয়ে কিংবা খতনার অনুষ্ঠান। আপনারাই বলেন একজন সংবাদকর্মী হিসেবে প্রশ্নটিই আপনাদের কাছে। তবে আমরা নিকটতম থানায় পুলিশ প্রশাসনকে তাৎক্ষণিক বিষয়টি জানিয়েছিলাম থানার ওসি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন, এবং আমি এবং আমার বাবা প্রতিনিয়ত রেনুর খোঁজ খবর রাখছি ।

এবার আমরা সংবাদকর্মী হিসেবে খুব লোজ্জা পেলাম। একটি সংবাদ সংগ্রহের জন্য কিংবা প্রচারের জন্য অসত্যের আশ্রয় নিতে হবে তাহা আমাদের কারো কাম্য নয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।