ঢাকারবিবার , ৬ আগস্ট ২০২৩
  1. #টপ৯
  2. #লিড
  3. অনান্য
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আন্দোলন
  8. ইচ্ছেডানা
  9. উদ্যোক্তা
  10. ক‌রোনা মহামা‌রি
  11. কৃষি
  12. ক্যাম্পাস
  13. খেলাধুলা
  14. গণমাধ্যম
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর শৌচাগার থেকে স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
আগস্ট ৬, ২০২৩ ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বাগেরহাটে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর ঘরের ভেতরের শৌচাগার থেকে ফিরোজা বেগম (৩৯) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের দেওয়ানবাটি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
এ হত্যার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে স্বামী মো. আলী হোসেনকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আলী হোসেন তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে বলে পুলিশ দাবি করছে।
এর আগে স্বামী আলী হোসেন গত ৩ আগষ্ট স্ত্রী নিখোঁজ রয়েছেন উল্লেখ করে বাগেরহাট সদর
মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

নিহত ফিরোজা বেগম দেওয়ানবাটি গ্রামের গফুর মোল্লার মেয়ে। গ্রেপ্তার হওয়া মো. আলী হোসেন
বাগেরহাট শহরের নাগেরবাজার এলাকার আজিজ মোল্লার ছেলে।
তিনি নিজেকে সাংবাদিকে ও ঢাকা থেকে প্রকাশিত লাখোকন্ঠ নামের একটি দৈনিকের জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দাবি করেন।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের বরাতে জানা যায, ফিরোজা বেগমের এটি দ্বিতীয় বিয়ে এবং আলী হোসেনের আগে দুটি বিয়ে রয়েছে।
প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর একমাত্র মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে উঠেছিলেন ফিরোজা বেগম। এরপর বিয়ে না করে ৭/৮ বছর পার করেন তারা।

কিন্তু একদিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গিয়ে পরিচয় হয় মো. আলী হোসেন মোল্লার সঙ্গে।
এর দুই দিন পরই পরিবারকে না জানিয়ে বিয়ে করেন তারা।

ফিরোজার আগের ঘরে পূর্ণিমা বেগম (২০) নামে একটি মেয়ে রয়েছে। মেয়ে পূর্ণিমার পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় বিয়ে হয়েছে।

নিহতের মেয়ে পূর্ণিমা বলেন, আমার মায়ের সাথে বাবার বনিবনা না হওয়ায় সাত আট বছর আগে ডিভোর্স হয়ে যায়।
তারপর থেকে তিনি আমার নানা বাড়িতে একা বসবাস করে আসছিলেন।
প্রায় দুই বছর আগে আলী হোসেন নামে এক ব্যক্তির সাথে তার পরিচয় ঘটলে তিনি তাকে বিয়ে করেন।
বিয়ের পর থেকেই ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকত। মায়ের জমানো টাকা চাইত। না দিলে মারধর করত।
কিছুদিন আগে মা তাকে একটি মোটরসাইকেলও কিনে দিয়েছিলেন।

পূর্ণিমা আরও বলেন, চারদিন আগে আলী আমাকে মুঠোফোনে বলেন আমার মাকে খুুঁজে পাওয়া যাচ্ছে
না এই কথা শুনে আমি আসতে চাইলে আমাকে তিনি নিষেধ করেন।
মা নিখোঁজ এতে আমি চিন্তিত হয়ে পড়লে আমার স্বামী শনিবার সকালে আমাকে নিয়ে বাগেরহাট আসেন।
বাড়িতে এসে ঘরের ভেতরে ঢুকে দেখি টয়লেটের চারপাশে নতুন মাটি দেওয়া।
কেমন একটা দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। তখন আলী হোসেন বুঝতে পেরে ঘর থেকে বেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে আমার স্বামী ও স্থানীয়রা ধাওয়া করে ধরে ফেলে।
পরে ৯৯৯ এ ফোন করে তাকে পুলিশে সোপর্দ করি। আমার মার হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন,
গত ২৯ জুলাই বাগেরহাট শহর থেকে সাংবাদিক মো. আলী হোসেনের স্ত্রী ফিরোজা বেগম নিখোঁজ
হয়েছেন বলে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
আমরা ওই ডায়েরির সূত্র ধরে তদন্ত করছিলাম। শনিবার দুপুরে ৯৯৯ এর একটি ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই।
ঘরের ভেতরের টয়লেটের ঢাকনা সরিয়ে গলিত একটি মরদেহ উদ্ধার করি।

পরে জনতার হাতে আটক সাংবাদিক আলীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি।
সে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার স্ত্রীকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছে।
তবে কেন হত্যা করেছে তা জানতে তাকে রিমাণ্ডে নিতে আদালতে তোলা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।